সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

জুন, ২০২৪ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

তুমি বলেছিলে

তুমি বলেছিলে রাতে তোমার ঘুম হয় না, আমি বুঝেছিলাম সময় চাইছো;  তুমি বলেছিলে "আকাশে কী মেঘ করেছে দেখো?", আমি বুঝেছিলাম তোমার মন খারাপ।  তুমি বলেছিলে "চুলে জট বেধেছে"; আমি বুঝেছিলাম তুমি স্পর্শ চাইছো।  তুমি বলেছিলে আজ বিকেলে তুমি বারান্দায় থাকবে; আমি বুঝেছিলাম সাক্ষাত চাও।  তুমি বলেছিলে,অন্ধকারে আমার বড্ড ভয়; আমি বুঝেছিলাম তোমার আমাকে জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে করছে;  তুমি বলেছিলে সমুদ্রে যাবে; আমি বুঝেছিলাম পাশাপাশি হাত ধরে হাঁটতে চাইছো।  তুমি বলেছিলে নীল প্রিয় রঙ, আমি বুঝেছিলাম তোমার কষ্ট হচ্ছে;  তুমি বলেছিলে ঠোঁট ফেটেছে,  আমি বুঝেছিলাম চুমু খেতে চাইছো;  তুমি বলেছিলে অংক ভালো লাগেনা, আমি বুঝেছিলাম তুমি কবিতা ভালোবাসো;  তুমি বলেছিলে " আজ তাড়াতাড়ি ঘরে ফিরতে হবে",  তুমি বলেছিলে,এই হুটহাট দেখা করা, অসময়ে ফোন করা আর তোমার ভালো লাগছেনা; আমি বুঝে গিয়েছিলাম,বিচ্ছেদ চাইছো।  তারপর অলিখিত সাক্ষরে তুমি যখন ইনভিজিবল কোর্টে আমার বিরুদ্ধে বিচ্ছেদের মামলা ঠুকে দিলে; আমি বুঝেছিলাম তুমি মুক্তি চাও।  এরপর সব বুঝে যখন আমি দার্শনিক, সব মিটিয়ে তুমি যখন অন্...

এক গ্লাস অন্ধকার

এক গ্লাস অন্ধকার হাতে নিয়ে বসে আছি। শূন্যতার দিকে চোখ, শূন্যতা চোখের ভেতরও-- এক গ্লাস অন্ধকার হাতে নিয়ে বসে আছি। বিলুপ্ত বনস্পতির ছায়া, বিলুপ্ত হরিণ। মৌসুমী পাখির ঝাঁক পালকের অন্তরালে তুষারের গহন সৌরভ ব'য়ে আর আনে না এখন। দৃশ্যমান প্রযুক্তির জটা জুটে অবরুদ্ধ কাল,  পূর্ণিমার চাঁদ থেকে ঝ'রে পড়ে সোনালী অসুখ। ডাক শুনে পেছনে তাকাই-- কেউ নেই। এক গ্লাস অন্ধকার হাতে নিয়ে বসে আছি একা....  সমকালীন সুন্দরীগণ অতিদ্রুত উঠে যাচ্ছে অভিজাত বেডরুমে,  মূল্যবান আসবাবপত্রের মতন নির্বিকার। সভ্যতা তাকিয়ে আছে তার অন্তর্গত ক্ষয় আর প্রশংসিত পচনের দিকে। উজ্জ্বলতার দিকে চোখ, চেয়ে আছি-- ডীপ ফ্রিজে হিমায়িত কষ্টের পাশেই প্রলোভন,  অতৃপ্ত শরীর গুলো খুঁজে নিচ্ছে চোরাপথ-- সেক্সড্রেন। রুগ্নতার কাঁধে হাত রেখে সান্ত্বনা বিলাচ্ছে অপচয়-- মায়াবী আলোর নিচে চমৎকার হৈ চৈ, নীল রক্ত, নীল ছবি জেগে ওঠে একখন্ড ধারালো ইস্পাত--চকচকে,  খুলির ভেতরে তার নড়াচড়া টের পাই শুধু। ইতিমধ্যে ককটেলে ছিন্নভিন্ন পরিচয়,সম্পর্ক,পদবী-- উজ্জ্বলতার ভেতরে ফণা তুলে আর এক ভিন্ন অন্ধকার। গ্লাসভর্তি অন্ধকার উল্টে দিই এই অ...

পিপাসা

মনটা আমার পিপাসার্ত, একটুকু আনন্দময় পরিবেশ চাই। আনন্দে মাতবার মত, কোনোই কি পরিবেশ নাই?  একটু আনন্দের স্পর্শ, লাগলে যেন মনটা মাতে। সেই স্পর্শের অনুভূতি, মলিন হয়ে যায় না যাতে।  সেই স্পর্শের অনুভূতি, অল্প একটুই হোক না কেন! সেই অনুভূতিতেই আমি, সুখ লাভ করতে পারি যেন।  আপনারা বোধ হয় অনেকেই, আমাকে প্রখ্যাত বিখ্যাত কবি ভাববেন।  আমি বলব এইখানে, কবি? বলব আপনি ভুলই করবেন।   কবিতা লেখার শখ, চেপেছিল সেই ছোটবেলায় আমার। সেই কবিতার ভুবনে, প্রবেশ করবার ইচ্ছে হলো আবার।  আমি জানি এই কবিতা আমাকে, দিবেনা কোনো অস্তিত্বের দেখা। তবুও আমি আমার মত করে, চালিয়েই যাবো এমন কবিতা লেখা।  কারণ, আমি লিখি,  শুধুমাত্র লিখিবার ই উদ্দেশ্যে। লেখা ছাড়া যে থাকেনা কিছু, আমার কবিতার পংক্তির শেষে।  (রচনাকাল: আগষ্ট ২০০৮)

তুমি মিতু

তুমি মিতু, মিতু তুমি তোমাকে রাগাতে চাই না আমি তোমার হাসি সোনার চাইতেও দামী। তোমার হাতের রান্না ভীষণ ইয়াম্মি! সুন্দর চুল বাঁধতে পারো তুমি সেটা দেখে খুশি তোমার স্বামী তোমার এই গুণ অনেক নামীদামী  শীঘ্র হয়ে যাও কারো মাম্মি...!  মোটেও পটাচ্ছি না যে আমি! বোনের মত আমার কাছে তুমি তুমি মিতু, মিতু তুমি খাওয়াবে আমায় তোমার রান্না করে ইয়াম্মি?? 

নীরব পাঠক

আমার কবিতার পাঠক হলো নীরব চুপটি মেরে খালি পড়ে যায় লেখা সব খুশি হচ্ছে নাকি রাগ সেটা একমাত্র জানে রব জানিনা করতে পারবো কিনা তাকে সরব!

সুন্দরী-খারাপ

দুনিয়ার কাছে তুমি হতে পারো খারাপ কিন্তু একজন আছে যে ভাবেনা তোমায় খারাপ যদি সে না ভাবে তোমায় খারাপ তুমি হতে পারো দুনিয়ার কাছে খারাপের বাপ!  সব সুন্দরীরাই কিন্তু খারাপ নয় কিছু কিছু সুন্দরী গুনেমানে ভালো হয় লোকে কি ভাববে এইটাই থাকে ভয় সাহস দিয়ে ভয়কে করতে হবে জয়।