সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

কেউ নও

না

শেষ পর্যন্ত তুমি আমার কেউ নও। 

যাকে আঁকড়ে ধরে এই বিষন্নতার মাঝে খুঁজে পেতে পারি আশ্রয় আর যার কোলে মাথা রেখে নিতে পারি শান্তির প্রশ্বাস। 


না 

শেষ পর্যন্ত তুমি আমার নিকটি নও।

যে সন্নিকটে থাকলে সহস্র বাধা বিঘ্নতা, সংকট আর বিমুখ পরিবেশটাও তুচ্ছ মনে হয়। পাই মন খুলে স্বাস নেওয়ার মতো স্বস্তি। 


না

শেষ পযর্ন্ত তুমি একজন পর।

যাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখা শুধুমাত্র সময়ের অপচয় ছাড়া আর কিছুই না। যে কিনা কোনোদিন বুঝবে না আমার মনের আর্তনাদ। 


হ্যাঁ

শেষ পর্যন্ত আমার কথাগুলোই সত্যি! 

তোমার উপস্থিতি জাগিয়ে তোলে আমাকে অহেতুক দেখা স্বপ্নের ঘোর থেকে। মনে করিয়ে দেয় এই নিষ্ঠুর দুনিয়ায় আমি একলা এসেছিলাম, থাকবো ও একলা আর একদিন চলেও যাব একলা। 


কি?

আমার কথাগুলো শুনতে কটু লাগছে? 

বিশ্বাস করো এই কটু কথাগুলো হজম করতে করতে এক আমি মৃতপ্রায়। দিকবিদিক জ্ঞানশূন্য, নিস্তব্ধ আর ভেঙে চুরমার হয়ে যাওয়া এক মানুষ। 


হ্যাঁ

এই আমি খাপ খাইয়ে নিয়েছি নিজেকে! 

বিরূপ পরিবেশে নিজেকে সামলে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে। নিজের জন্য বাঁচতে আর নিজেকে গড়ে তুলতে। 

মন্তব্যসমূহ

জনপ্রিয় লিপি

কথা বলার ক্ষুধা, সেক্সের চেয়েও আদিম চাহিদা

আপনার সঙ্গী কি আপনার সাথে শোয়, কিন্তু কথা বলে না? তাহলে অভিনন্দন, আপনি এক জীবন্ত লাশের সাথে বসবাস করছেন। কী? statement টা শুনেই আপনার শরীরে কাঁটা দিয়ে উঠলো? মনে হচ্ছে, আপনার ব্যক্তিগত জীবনে কেউ নোংরাভাবে উঁকি মারছে? নিজের ভালোবাসার সম্পর্কটাকে এতটা কদর্যভাবে আক্রমণ করায় লেখকের গলা টিপে ধরতে ইচ্ছে করছে? করুন। আপনার সব ক্ষোভ, সব অপমান আমি মাথা পেতে নিচ্ছি। কিন্তু এই লেখাটি যদি আপনার ভেতরের সেই ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরিটাকে জাগিয়ে তুলতে না পারে, যদি আপনার সাজানো-গোছানো সম্পর্কের মিথ্যার দেওয়ালটা কাঁপিয়ে দিতে না পারে, তবে বুঝবেন আমার কলম ধরাটাই বৃথা। আমরা এক অদ্ভুত ডিজিটাল কসাইখানায় বাস করি, যেখানে আমরা সম্পর্কগুলোকে লাইক, কমেন্ট আর শেয়ার দিয়ে ওজন করি। আমরা একে অপরের শরীর চিনি, কিন্তু আত্মাটাকে চিনি না। আমরা একসাথে ডিনার করি, কিন্তু কথা বলি ফোনের স্ক্রিনের সাথে। আমরা একসাথে বিছানায় যাই, কিন্তু আমাদের মন ঘুরে বেড়ায় ভার্চুয়াল দুনিয়ার অলিতে-গলিতে। এই যে নীরবতার মহামারী, এই যে কথা বলার জন্য আত্মার তীব্র হাহাকার—এটাই আজকের সভ্যতার সবচেয়ে বড় ক্যানসার। এই লেখাটি কোনো পরকীয়াকে উস্কে দেওয়ার জন্য নয়। এই লেখ...

স্ত্রী’র মনে অকারণে আঘাত দেওয়ার পরিণাম

ইসলামিক দৃষ্টিতে ভয়াবহ বাস্তবতা : অনেক স্বামী মনে করেন, “স্ত্রী তো নিজের মানুষ, একটু কঠিন কথা বললে সমস্যা কী?” কিন্তু ইসলাম এই বিষয়টিকে খুবই গুরুত্বের সাথে দেখেছে। কারণ, দাম্পত্য সম্পর্ক শুধু সামাজিক বন্ধন নয়, এটি একটি আমানত, যার জবাবদিহি আল্লাহর কাছেই করতে হবে।  ☞    স্ত্রী আল্লাহর দেওয়া আমানত : ইসলামে স্ত্রীকে স্বামীর অধীন কোনো বস্তু বলা হয়নি; বরং তাকে আল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া দায়িত্ব ও আমানত বলা হয়েছে। যে ব্যক্তি এই আমানতের হৃদয় ভাঙে, সে আসলে আল্লাহর দেওয়া দায়িত্বে অবহেলা করে।  ☞ স্ত্রীর প্রতি কঠোর আচরণ গুনাহের কারণ : রাসূল ﷺ বলেছেন, “তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম, যে তার স্ত্রীর কাছে উত্তম।” অর্থাৎ স্ত্রীর সাথে খারাপ আচরণ একজন মানুষের ঈমান ও চরিত্রের দুর্বলতার পরিচয়।    ☞ স্ত্রীর অভিযোগ আল্লাহর কাছে পৌঁছে যায় : একজন কষ্ট পাওয়া স্ত্রীর দীর্ঘশ্বাস বা চোখের পানি অবহেলা করার বিষয় নয়। ইসলামে মজলুমের দোয়া (যার উপর জুলুম করা হয়েছে) সরাসরি আল্লাহর কাছে পৌঁছে যায় — সেখানে স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কও ব্যতিক্রম নয়।  ☞ অন্যায় আচরণের হিসাব কিয়ামতে ...

সব পুরুষ এক হয় না

সব পুরুষ খারাপ হয় না! কিছু পুরুষ সত্যিই খুব ভালো হয় যাদের ভালোবাসায় শান্তি থাকে, নিরাপত্তা থাকে। সব পুরুষ অজুহাত দিয়ে চলে যায় না, কিছু পুরুষ হাজার কষ্টের মধ্যেও প্রিয় মানুষকে আঁকড়ে ধরে রাখে। সব পুরুষ ঠকায় না! কিছু পুরুষ নিজের কষ্ট ভুলে ঠকে যাওয়া মেয়েটাকে আগলে রাখে। সব পুরুষ জীবন এলোমেলো করে না! কিছু পুরুষ অগোছালো জীবনটাকেও ধীরে ধীরে সাজিয়ে তোলে। সব পুরুষ খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে কাছে আসে না, কিছু পুরুষ সুযোগ থাকলেও নারীকে সম্মান দিয়ে পাশে সরে দাঁড়ায়। সব পুরুষ দায়িত্বহীন নয়! কিছু পুরুষ সংসার, স্ত্রী, সন্তান সবকিছুর দায়িত্ব ভালোভাবে সামলায়। সব পুরুষ সুযোগসন্ধানী নয়! কিছু পুরুষ একলা মেয়েকে দেখে দায়িত্ব নিয়ে নিরাপদে পৌঁছে দেয়। সব পুরুষ জিততে চায় না! কিছু পুরুষ নিজে হেরে গিয়ে প্রিয় মানুষটাকে জিতিয়ে দিতে ভালোবাসে। পুরুষ হয়ে জন্মানোই পুরুষত্ব নয়! সত্যিকারের পুরুষ তো সেই! যে নারীকেও মানুষ মনে করে, সম্মান দেয়। যে লালসা নয়, দায়িত্বের হাত বাড়ায়। যে কথা নয়, কাজে ভালোবাসা প্রমাণ করে। যে রাগ কমিয়ে বুঝতে শেখে, আর কষ্ট বাড়িয়ে নয়, কমিয়ে দেয়। সত্যিকারের পুরুষ তো সেই! যে নিজের অহংকার সরিয়ে প্রিয় মানুষটির চো...