বেশিরভাগ পুরুষ মনে করেন, প*র্ন মুভির মতো ৩০-৪০ মিনিট ধরে মেশিন চালানোই হলো পুরুষত্ব। ভুল! ডাহা মিথ্যা!
আপনার টাইমিং যদি ৫ মিনিটও হয়, আর তাতে যদি আপনার স্ত্রী চরম সুখে কেঁপে ওঠেন—তবে আপনিই পৃথিবীর সেরা পুরুষ। আর আপনি যদি ৩০ মিনিট ধরে যুদ্ধ করেন কিন্তু আপনার সঙ্গিনী কিছুই অনুভব না করে—তবে আপনি ব্যর্থ।
দীর্ঘ সময় মানে ঘড়ির কাঁটা নয়। দীর্ঘ সময় মানে হলো—ততক্ষণ, যতক্ষণ না তার শেষ হচ্ছে।
কারো স্ত্রীর অর্গাজম হতে ১০ মিনিট লাগে, কারো ১৫ মিনিট। আপনার লক্ষ্য ওই ঘড়ি নয়, আপনার লক্ষ্য ওই বিশেষ মুহূর্তটি। তাই নিজের টাইমিং নিয়ে হীনম্মন্যতায় ভোগা বন্ধ করুন। আসল খেলাটা টাইমিংয়ে নয়, আসল খেলাটা কৌশলে।
আপনি ঘরে ঢুকলেন, জামাকাপড় খুললেন আর শুরু করে দিলেন—এটাকে সেক্স বলে না, এটাকে বলে ধর্ষণ। শুনতে খারাপ লাগছে? কিন্তু শরীর বিজ্ঞান তাই বলে।
একজন পুরুষের শরীর আগুনের মতো, দপ করে জ্বলে ওঠে। আর একজন নারীর শরীর হলো পানির মতো, যা গরম হতে সময় নেয়। আপনি যদি ৫ মিনিটে প্রস্তুত হন, আপনার স্ত্রীর সময় লাগে অন্তত ২০ মিনিট।
আপনি যখন শুরু করছেন, তার শরীর তখনো ঘুমিয়ে। আর যখন আপনি ক্লান্ত হয়ে ফিনিশ করছেন, তার শরীর তখন কেবল জাগতে শুরু করেছে। ফলাফল? তার অতৃপ্তি, আর আপনার মনে অক্ষমতার গ্লানি।
• সমাধান?
মিলন শুরু করার আগে তাকে মানসিকভাবে "ধর্ষণ" করুন (ভালোবাসার অর্থে)। শরীরে হাত দেওয়ার আগে তার মস্তিষ্কে হাত দিন। রোমান্টিক কথা বলুন, মুভি দেখুন।
• সরাসরি গোপন অঙ্গে হাত দেবেন না। এটা চরম বোকামি।
শুরু করুন তার ঘাড় থেকে। মেয়েদের ঘাড়ে, কানের লতিতে, পিঠের মেরুদণ্ডে এবং উরুর ভাঁজে এমন কিছু "সুইচ" আছে, যা টিপলে তাদের শরীরে বিদ্যুতিক শক লাগে। বিশেষ করে উরুর ভেতরের অংশ (Inner Thighs)। সেখানে হালকা স্পর্শ, জিহ্বার ব্যবহার তাকে পাগল করে দিতে পারে। তাকে এমন পর্যায়ে নিয়ে যান যেন সে নিজেই আপনাকে ছিঁড়ে খেতে চায়। মনে রাখবেন, ফোর-প্লে (Foreplay) বা প্রাক-মিলন যত দীর্ঘ হবে, আপনার আসল মিলনের স্থায়িত্ব তত বাড়বে। কারণ তখন তাকে তৃপ্ত করতে আপনার খুব কম সময় লাগবে।
***সমাধান চাইল ভিজিট (https://naturizbd.com/joy-plus)
• "স্টপ-এন্ড-স্টার্ট" (Stop & Start) পৃথিবীর সেরা গোপন অস্ত্র
মেডিসিন ছাড়া বীর্য আটকে রাখার এর চেয়ে ভয়ংকর কার্যকরী কোনো পদ্ধতি পৃথিবীতে নেই।
সহবাস করছেন, গতি বাড়ছে, আপনি বুঝতে পারছেন আর ১০-১৫ সেকেন্ডের মধ্যে সব শেষ হয়ে যাবে—ঠিক তখনই থামুন!
পুরোপুরি থামুন। প্রয়োজনে লিঙ্গ বের করে নিন।
• আপনার কি মনে হচ্ছে এতে তার মুড নষ্ট হবে? ভুল!
এই বিরতিটাই তাকে আরও বেশি উত্তেজিত করবে। যখন আপনি থামবেন, তখন আপনার হাতের জাদুকরী ব্যবহার শুরু করুন। লিঙ্গ বের করে তার বিশেষ অঙ্গে (Clitoris) আঙুলের বা জিহ্বার কারুকাজ চালান। এতে আপনার উত্তেজনা কমবে, বীর্যপাতের চাপ কমবে, কিন্তু তার উত্তেজনা দ্বিগুণ হবে।
৩০ সেকেন্ড বা ১ মিনিট বিশ্রাম নিয়ে আবার শুরু করুন। এভাবে ২-৩ বার বিরতি দিয়ে যদি করতে পারেন, দেখবেন যেই আপনি ২ মিনিটে শেষ হয়ে যেতেন, সেই আপনি অনায়াসেই ১৫-২০ মিনিট পার করছেন।
সব পজিশন সব বয়সের জন্য নয়। মিশনারি (পুরুষ উপরে) পজিশনে শরীরের সব পেশী টানটান থাকে, ফলে দ্রুত বীর্যপাত হয়।
আপনি যদি দীর্ঘস্থায়ী হতে চান, তবে "কাত হয়ে" (Spooning / Side Position) ট্রাই করুন। এতে আপনার শরীরের নড়াচড়া কম হয়, ক্লান্তি কম আসে এবং আপনি রিলাক্স মুডে হাতের ব্যবহার করতে পারেন।
কিংবা আপনি চেয়ারে বসুন, তাকে আপনার উপরে বসতে দিন। এখানে নিয়ন্ত্রণ তার হাতে থাকবে। সে নড়াচড়া করবে, আপনি শুধু উপভোগ করবেন। যেহেতু আপনার পরিশ্রম কম, তাই আপনার বীর্যপাত হতেও সময় লাগবে। আর যেহেতু সে পরিশ্রম করছে, তাই তার অর্গাজমও দ্রুত হবে। এক ঢিলে দুই পাখি!
বিশেষ করে যাদের ভুড়ি আছে বা ওজন বেশি, তাদের জন্য সাইড পজিশন বা ওমেন-অন-টপ পজিশন আশীর্বাদের মতো।
• কেগেল ব্যায়াম
গাড়ি চালানোর সময় যেমন ব্রেক কষলে গাড়ি দাঁড়িয়ে যায়, ঠিক তেমনি বীর্যপাতের সময়ও ব্রেক কষা সম্ভব। কিন্তু সেই ব্রেক কোথায়?
যখন আপনি প্রস্রাব করেন, তখন হুট করে প্রস্রাব আটকে ফেলার চেষ্টা করুন। তলপেটের যেই পেশী বা রগটি টান দিয়ে আপনি প্রস্রাব আটকান—সেটাই হলো আপনার সেক্স লাইফের "মাস্টার কি" (PC Muscle)।
মিলনের সময় যখনই মনে হবে "বের হয়ে যাচ্ছে", তখনই তলপেটের সেই পেশীটি শক্ত করে সংকুচিত করুন (ঠিক প্রস্রাব আটকানোর মতো)। দেখবেন বীর্যপাতের স্রোত উল্টো দিকে ফিরে গেছে। এটি রপ্ত করতে সময় লাগবে, কিন্তু একবার শিখে গেলে আপনি ঘন্টার পর ঘন্টা মিলন চালিয়ে যেতে পারবেন কোনো ঔষধ ছাড়াই।
অধিকাংশ বাঙালি পুরুষ ভরা পেটে, সারাদিনের ক্লান্তি নিয়ে রাত ১২টায় স্ত্রীর কাছে যান। এটা আত্মহত্যার শামিল!
পেটে খাবার থাকলে রক্ত চলাচল পাকস্থলীতে ব্যস্ত থাকে, লিঙ্গে নয়। আর ক্লান্ত শরীর মস্তিষ্ককে নির্দেশ দেয়—"দ্রুত কাজ শেষ করে ঘুমাও।" ফলে আপনি চাইলেও বেশিক্ষণ টিকতে পারেন না।
• স্মার্ট পুরুষরা কী করে?
তারা রাত ১০টায় স্ত্রীকে জড়িয়ে ধরে রোমান্টিক আদর করে ঘুমিয়ে পড়ে। আসল খেলা শুরু হয় ভোর ৪টা থেকে সকাল ৭টার মধ্যে।
• কেন?
কারণ ভোরের দিকে পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন (সেক্স হরমোন) সর্বোচ্চ পর্যায়ে থাকে। পেট খালি থাকে, শরীর ও মন থাকে ফ্রেশ। ভোরবেলার মিলনে আপনি রাতের চেয়ে অন্তত ২০-৩০% বেশি সময় পাবেন প্রাকৃতিকভাবেই। বিশ্বাস না হলে কাল ভোরেই ট্রাই করে দেখুন!
• উপসংহার
পরিশেষে বলতে চাই যে, আপনি যদি পরিপূর্ণভাবে আর তৃপ্তির সাথে আপনার পার্টনার বা স্ত্রীর সাথে মিলিত হতে চান এবং দুইজনেই পরিপূর্ণ সেক্স্যুয়াল সেটিসফেকশন পেতে চান, তাহলে উপরে যেভাবে করলে আপনি এবং আপনার স্ত্রী শারীরিক ও মানসিক তৃপ্তি পাবেন সেভাবে একবার করে দেখুন।
উপরে বর্ণিত ফর্মূলা আর সিস্টেমে নিজেরা মিলিত হয়ে দেখুন। তারপর বুঝবেন যে পার্থক্য টা কোথায়। যদি সামান্যতম কিছু পার্থক্য কিংবা আনন্দ কিংবা পূর্ণাঙ্গ সেটিসফেকশন পেয়ে থাকেন তবে অবশ্যই কমেন্ট করে আমাকে জানাবেন। আপনার উপকারে নিমিত্তেই এই পোস্টটি শেয়ার করেছি। দুআ করি যেন আপনার যৌনজীবন সুখের হোক।
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন